হাসির কৌতুক

ছাত্রজীবন

স্কুলে বার্ষিক পরীক্ষা আরম্ভ হলো। পরীক্ষার হলে এক ছাত্রী জোরে জোরে কাঁদছে।
শিক্ষকঃ তুমি কাঁদছ কেন?
ছাত্রীঃ আমার রচনা কমন পড়েনি।
শিক্ষকঃ কেন? কী এসেছে?
ছাত্রীঃ এসেছে ‘ছাত্রজীবন’। স্যার, আমি তো ছাত্রী। ‘ছাত্রজীবন’ লিখব কীভাবে।

ওয়াসি একান্ত
মণিপুর উচ্চবিদ্যালয়, ঢাকা
সূত্র: দৈনিক প্রথম আলো, সেপ্টেম্বর ১৪, ২০০৯

 

এত ভালো জীবনে কখনো অনুভব করিনি

এক পর্যটকের গাড়িটা বিগড়ে গেছে। পথিমধ্যে তিনি চড়ে বসলেন এক চাষির ট্রাকে। ট্রাকের পেছনে অনেকগুলো গবাদিপশু—হাঁস-মুরগি, ছাগল-ভেড়া। চাষি যাচ্ছিলেন বাজারে গবাদিপশুগুলো বিক্রি করবেন বলে।
হঠাৎ অন্য একটা ট্রাকের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ। দুমড়েমুচড়ে ট্রাকটা গিয়ে পড়ল পাশের আলুখেতে। হাঁচড়ে-পাঁচড়ে বিধ্বস্ত ট্রাকটা থেকে বেরিয়ে এলেন চাষি। পেছনে গবাদিপশুগুলোর অবস্থা দেখেই বিলাপ করে কেঁদে উঠলেন। বললেন, ‘হায় হায়! হাঁস-মুরগিগুলোর ডানা ভেঙে গেছে। এখন এগুলো কেউ কিনবে না!’ বলেই রাগে-দুঃখে আহত হাস-মুরগিগুলোকে গুলি করে মেরে ফেললেন। পাশেই পেলেন আহত ছাগল আর ভেড়াগুলোকে। বললেন, ‘হায় হায়! ছাগল-ভেড়াগুলোও যথেষ্ট আহত। এগুলোও কেউ কিনবে না,’ বলেই এদেরও গুলি করে মারলেন। সবশেষে গেলেন পর্যটকের কাছে। জিজ্ঞেস করলেন, ‘আপনি ঠিক আছেন তো?’
পর্যটক এতক্ষণ আধবোজা চোখে এই ভয়ার্ত দৃশ্য দেখছিলেন। বেচারার হাত ভেঙেছে, পা মচকেছে, সারা শরীরে কেটে-ছিঁড়ে গেছে। এ অবস্থায় পর্যটক হাসার আপ্রাণ চেষ্টা করে বললেন, ‘না না! আমি একদম ঠিক আছি, কোনো সমস্যা নেই! এত ভালো জীবনে কখনো অনুভব করিনি!’

সুন্দর ছুটির দিন

কর্মচারী: স্যার, পাঁচ দিনের ছুটি চাই।
বস: কেন? মাত্রই তো তুমি ১০ দিন ছুটি কাটিয়ে ফিরলে।
কর্মচারী: স্যার আমার বিয়ে।
বস: বিয়ে করবে ভালো কথা। তো এত দিন ছুটি কাটালে, তখন বিয়ে করোনি কেন?
কর্মচারী: মাথা খারাপ? বিয়ে করে আমার সুন্দর ছুটির দিনগুলো নষ্ট করব নাকি?

আপনার কান দুটোর কি হল

শ্রীমভি রায় : ( তাঁর দুষ্টু, চঞ্চল ছোট মেয়েকে ) মিঠু, এখানে আমাদের বাড়ি তোমার বাপির এক বন্ধু আসবেন, তাঁর নাম মেজর গুপ্ত, যুদ্ধে ভদ্রলোকের দুটো কানই গুলি লেগে উড়ে গেছে, তাই ওঁকে দেখে যেন জিজ্ঞেস কোর না—আঙ্কেল, আপনার কান দুটোর কি হল ?— তাহলে উনি কিন্তু ভীষণ রেগে যাবেন ।

বলতে বলতে মেজর গুপ্ত কলিং বেল বাজিয়ে ঘরে ঢুকলেন । মিসেস রায় যখন তাঁকে আপ্যায়ন করে বসাচ্ছেন তখন মিঠু তার মাকে : মামি, তুমি বললে আঙ্কেলের দু’ কানই কাটা, কিন্তু একটা কানের যে আধখানা থেকে গেছে । তাতে আঙ্কেল রেগে যাবেন না তো ?

দাদার বিয়ে

কর্মচারী: স্যার, একটা দিন ছুটি চাই।
বস: কেন? আবার কী?
কর্মচারী: স্যার, আমার দাদা…
বস: আবার দাদা? গত তিন মাসে তুমি চারবার দাদির মৃত্যুর কথা বলে ছুটি নিয়েছ।
কর্মচারী: স্যার, এবার আমার দাদার বিয়ে!

কর্মচারীর ওপর রাগ ঝাড়ি

রেগেমেগে অফিস থেকে বাড়ি ফিরলেন শফিক।
শফিকের স্ত্রী বললেন, ‘কী হলো? আজ এত চটে আছো কেন?’
শফিক: আর বোলো না। প্রতিদিন অফিসে যে কর্মচারীর ওপর রাগ ঝাড়ি, সে আজ অফিসে আসেনি। মেজাজটাই খারাপ হয়ে আছে!

অতিথি সৎকার

বাড়িতে অতিথি এসেছেন। মা পল্টুকে ডেকে বললেন, ‘বাবা পল্টু, জলদি অতিথিদের জন্য বাইরে থেকে একটা কিছু নিয়ে এসো তো’।
দৌড়ে ঘর থেকে বেরিয়ে গেল পল্টু। কিছুক্ষণ পর ফিরল খালি হাতে।
মা: কী হলো? কী আনলে ওনাদের জন্য?
পল্টু: ট্যাক্সি! ওনারা যেন চটজলদি বাড়ি ফিরতে পারেন!

লোক দেখানো যাওয়া

শফিক আর কেয়া—দুজনের ছোট্ট সংসার। এর মাঝে একদিন উটকো এক অতিথির আগমন।
দিন গড়িয়ে সপ্তাহ পেরোয়, অতিথির আর যাওয়ার নামগন্ধ নেই। বিরক্ত হয়ে একদিন লোকটাকে তাড়ানোর ফন্দি আঁটল দুজন।
পরদিন সকাল না হতেই তুমুল ঝগড়া শুরু করল শফিক-কেয়া। ঝগড়া একসময় হাতাহাতির পর্যায়ে চলে গেল।
অবস্থা বেগতিক দেখে চুপচাপ বাক্স-পেটরা নিয়ে বেরিয়ে পড়ল অতিথি।
অতিথি বেরিয়ে গেলে ঝগড়া থামাল দুজন। কেয়াকে বলল শফিক, ‘ওগো, বেশি লেগেছে তোমার?’
কেয়া: আরে নাহ্! আমি তো লোক দেখানো কাঁদছিলাম!
এমন সময় দরজা দিয়ে ঢুকতে ঢুকতে বলল অতিথি, ‘আমিও তো লোক দেখানো গিয়েছিলাম!’

ভালো কাজের পুরস্কার

নতুন বছরের প্রথম দিন মালিক বলছেন চাকরকে, ‘গত বছর তুই বেশ ভালো কাজ করেছিস। এই নে ১০ হাজার টাকার চেক। এ বছর এমন ভালো কাজ দেখাতে পারলে আগামী বছর চেকে সই করে দেব!’

চৌকস বস

চৌকস বস হচ্ছে সে, যে অফিসের মিটিং সংক্ষিপ্ত করার জন্য বলেন, এগুলো হলো আমার প্রস্তাব। কারও যদি কোনো ব্যাপারে দ্বিমত থাকে তাহলে হাত তুলে বলুন, ‘আজ থেকে আমি রিজাইন করলাম।’

ডিসিপ্লিন কী

ডিসিপ্লিন কী?
: বসের চেয়ে বোকা হবার ভান করার আর্ট।

এর থেকে বেশি

বাড়িতে অতিথি বেড়াতে এসেছে বাসায় ছোট বাচ্ছার সঙ্গে খাতির জমানোর চেষ্টা করছে-
অতিথি : কাছে এস বাবু আমাকে একটু চুমু দাও। তাহলে তোমাকে পাঁচ টাকা দেব।
বাবু : শুধু অষুধ খাওয়াতেই মা এর থেকে বেশি দেয়।

গ্ল্যামারের দিকে নজর

বস : এ কী টাইপিষ্ট নিয়েছেন? সুন্দরী তাতে সন্দেহ নেই-কিন্তু প্রতিটি লাইনে এক গন্ডা ভুল। আপনাকে বলি নি, টাইপিষ্ট নেবার সময় গ্রামারের দিকে নজর রাখবেন।
ম্যানেজার : শুনতে ভুল হয়েছিল স্যার। আমি গ্ল্যামারের দিকে নজর রেখেছিলাম।

বাড়তি উৎপাত

বাসা খালি। পাহারায় আছি আমি আর আমার এক সমবয়সী মামু। দারুণ আনন্দে কাটছে দিন, যা ইচ্ছা তা-ই করছি আমরা। স্বাধীন জীবন দুজনের। এর মধ্যে হঠাৎ গেস্ট এসে হাজির। হায় হায়, এখন কী করা? নিজেদের স্বাধীন জীবনে বাড়তি উৎপাত কিছুতেই সহ্য করা হবে না। কী করা যায়? দুজনে মিলে বুদ্ধি করলাম। গেস্ট সকালে বেরিয়ে যায়, সন্ধ্যায় আসে। আমরা ঠিক করলাম, সন্ধ্যায় আমরা গা ঢাকা দেব। সে সন্ধ্যায় বাসায় ঢুকতে পারবে না, পরে বাধ্য হয়ে কেটে পড়বে। যেই ভাবা, সেই কাজ। দুজনে সন্ধ্যা পর্যন্ত বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা মেরে শ্যামলী হলে সেকেন্ড শোতে সিনেমা দেখতে ঢুকে পড়লাম। সিনেমা শেষ হতে হতে রাত ১২টা। আমাদের গেস্ট কি আর আমাদের জন্য সন্ধ্যা থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত অপেক্ষা করবে? বিরতির সময় দুজন বাইরে এলাম সিগারেট টানতে। বাইরে এসে দেখি আমাদের গেস্ট! সেও সিগারেট টানছে!!
: আ-আপনি?
: বাসায় তালা দেখে কিছুক্ষণ অপেক্ষায় থেকে বুদ্ধি করে সেকেন্ড শো সিনেমায় ঢুকে পড়লাম। যাক, ভালোই হলো, তোমরাও···।
তারপর আর কি···বাকি ছবি তিনজন একসঙ্গে দেখলাম।

মাহবুব, জগন্নাথ কলেজ, ঢাকা
সূত্র: দৈনিক প্রথম আলো, সেপ্টেম্বর ১৪, ২০০৯

লোক দেখানো গিয়েছিলাম

সেই যে বাড়ীতে এক অথিতি এসেছে। এক সপ্তাহ যায় দু সপ্তাহ যায় তবু নড়বার কোন লক্ষণ নেই। স্বামী-স্ত্রী কেউ কিছু বলতে পারে না লজ্জায় । একদিন পাশের ঘরে অথিতিকে শুনিয়ে দুজন খুব ঝগড়া করতে লাগলো, মিছামিছি। স্ত্রীকে স্বামীর প্রহার এবং স্ত্রীর কান্নায় আওয়াজও শোনা গেল এক পর্যায়ে। গতিক সুবিধের নয় ভেবে অথিতি ভদ্রলোক তার সুটকেস নিয়ে এক ফাকে বেরিয়ে গেল। জানালা দিয়ে স্বামী-স্ত্রী দুজনায় তা দেখে ঝগড়া বন্ধ করে খুব এক চোট হেসে নিল- যে বুদ্ধি করে তারা অথিতি তাড়াতে পেরেছে। স্বামী বললো তোমার লাগে টাগে নিতো? যে জোরে কাঁদছিলে। স্ত্রী বললো দূর একটুও লাগেনি। এ তো লোক দেখানো কেঁদেছিলাম । হাসিমুখে এক সময় অথিতির আর্বিভাব, হেঁ, হেঁ আমিও কিন্তু লোক দেখানো গিয়েছিলাম ।

দার্জিলিং স্পেশাল

গৃহস্বামী: এই যে চা খেলেন, এটা একেবারে দার্জিলিং স্পেশাল।
অতিথি: বোধহয় এইজন্যই এত ঠান্ডা।

কী করে বলব

বাইরে থেকে দরজা নক করছে।
ভেতর থেকেঃ কে?
বাইরে থেকেঃ আমি।
ভেতর থেকেঃ আমি কে?
বাইরে থেকেঃ আরে, আপনি কে আমি কী করে বলব?

সমীরণ চক্রবর্তী
অন্তপুর, পরশুরাম, ফেনী
সূত্র: দৈনিক প্রথম আলো, সেপ্টেম্বর ১৪, ২০০৯

গাধার ডক্টর

গণ্ডমূর্খ ধনী ফরাসী জমিদার প্যারিস থেকে অনেকদিন বাদে গ্রামের বাড়িতে এসেছেন । নিজের প্রিয় ঘোড়ায় চেপে বেরিয়েছেন গ্রাম পরিদর্শনে । যেতে যেতে দেখেন গ্রামের এক প্রান্তে একটা বিরাট বাড়ি, তার সামনে বহু ছেলেমেয়ের ভীড় । দেখে কৌতুহল হ’ল । একজনকে জিজ্ঞেস করলেন, এখানে কি হচ্ছে ? ছেলেটি বললে, এটা বিশ্ববিদ্যালয় । ৫oo ফ্রাঁ-এর বিনিময়ে পি এইচ ডি ডিগ্রি দেওয়া হয় । যারা হাতে বা পায়ের বড়ো আঙ্গলে কেবল মাত্র টিপ ছাপ দিতে পারে আর টাকাটা দিয়ে দেয় তাদের হাতে হাতে ডিগ্রি মেলে ।

উৎসাহী জমিদার তাই শুনে ভেতরে গেলেন । ৫oo ফ্রাঁ আর টিপ ছাপ দিয়ে একটা ডিগ্রি নিয়ে এলেন। বাড়ি ফেরার পথে হঠাৎ তাঁর মনে হোল ৫oo ফ্রাঁ ও পায়ের টিপ ছাপ দিয়ে তার প্রিয় ঘোড়াটিও তো ডক্টরেট হতে পারে । যা ভাবা সেই কাজ। ফিরে গিয়ে বিশ্বববিদ্যালয়ের উপাচায়াকে বললেন, এই নিন ৫oo ফ্রাঁ আমার ঘোড়ার নামে একটা ডিগ্নি লিখে দিন, ও পায়ের টিপ ছাপও দিয়ে দেবে।

উপাচার্য : সরি, আমরা শুধুমাত্র গাধাদের ডক্টরেট দিয়ে থাকি, ঘোড়াদের দিই না।

জাদুঘরে নতুন

জাদুঘরে বেড়াতে গিয়ে বেখেয়ালে একটা চেয়ার ভেঙে ফেলল পল্টু। হন্তদন্ত হয়ে ছুটে এল জাদুঘরের কর্মচারী। বলল, ‘আরে করেছেন কী? জানেন, এই চেয়ারটা ৪০০ বছরের পুরোনো!’
হেসে বলল পল্টু, ‘যাক, বাঁচালেন। আমি তো ভেবেছিলাম নতুন!’

নবাব সিরাজউদ্দৌলার চেয়ার

জাদুঘরে ঘুরতে ঘুরতে ক্লান্ত হয়ে একটা চেয়ারে বসে পড়লেন মকবুল।
হায় হায় করে ছুটে এলেন জাদুঘরের কর্মীরা। বললেন, আরে, করছেন কী করছেন কী! এটা নবাব সিরাজউদ্দৌলার চেয়ার!
মকবুল: ভাই, একটু বসতে দেন। সিরাজ ভাই আসলেই আমি উইঠা যাব!

প্রশংসা

একজন বিখ্যাত বাবুর্চির বাসায় দাওয়াতে এসেছেন তাঁর বেশ কিছু বন্ধুবান্ধব, যাঁদের মধ্যে একজন আলোকচিত্রীও আছেন। অতিথি আপ্যায়নের ফাঁকে বাবুর্চির দেখা হয়ে গেল তাঁর আলোকচিত্রী বন্ধুর সঙ্গে, ‘আরে, বন্ধু! কত দিন পর দেখা হলো তোমার সঙ্গে! তোমার তোলা ছবি আমি দেখেছি। সব কটি ছবিই চমৎকার। তোমার ক্যামেরাটা নিশ্চয়ই খুবই ভালো আর দামি?’ উত্তরে কিছুই বললেন না আলোকচিত্রী।

বিদায়ের সময় আলোকচিত্রী বলছেন বাবুর্চিকে, ‘বাহ্! দারুণ খাওয়াদাওয়া হলো, বন্ধু! রান্না বেশ ভালো ছিল! তোমার চুলাটা নিশ্চয়ই খুবই ভালো আর দামি!’

ডিকশনারিতে ডিনামাইট

বিলু: শুনেছ, লাইব্রেরিতে ভয়াবহ ঘটনা ঘটেছে!

রঞ্জু: কেন, কী হয়েছে?

বিলু: কেউ একজন ডিকশনারিতে ডিনামাইট খুঁজে পেয়েছে!

বাসে ড্রাইভার নাই

গ্রামের এক দম্পতি শহরে এসে একটা দুই-তলা বাসের দোতলায় উঠল। স্বামীটি কিছুক্ষণ এদিক ওদিক তাকিয়ে স্ত্রীকে বলল, এই নাম। এই বাসে ড্রাইভার নাই।

ওজনের জন্য চিন্তা

বইয়ের দোকানে ঢুকে এক ভদ্রলোক কিছু বই চাইলেন।
: কী রকম বই চান, বলুন। হালকা কিছু?
: না, না, ওজনের জন্য আপনি মোটেই চিন্তা করবেন না। আমার সাথে গাড়ি আছে।

নিশানা

এক শৌখিন জ্যোতির্বিদ গ্রামে বেড়াতে গেছেন। রাতে ধানখেতের ধারে তেপায়ার ওপর টেলিস্কোপটা বসিয়ে আকাশ পর্যবেক্ষণ করছেন। তাঁকে ঘিরে দাঁড়িয়ে আছে বেশ কয়েকজন উৎসুক গ্রামবাসী।
তিনি টেলিস্কোপে চোখ রেখে দেখছেন, এমন সময় একটা তারা খসে পড়ল। সঙ্গে সঙ্গে বিপুল করতালি গ্রামবাসীর, ‘নিশানাটা দেখছ, কেমনে গুল্লিটা করল?’

 

Top