সময় বাঁচান সুন্দর সময় উপভোগ করার জন্য family

family

কর্মজীবী নারীকে যদি জিজ্ঞেস করা হয়, অবসরে কী করেন? বেশির ভাগই উত্তরে বলেন, অবসরই তো পাই না। কম কাজ থাকে নাকি! স্বামী-সন্তানকে ঠিকমতো সময় দিতে পারি না।

কর্মজীবী নারীদের সন্তানকে ছোট থেকেই একটু একটু করে স্বাবলম্বী করতে হবে। ছবি: প্রথম আলো

Family

Family তবে আপনি যদি একটু চেষ্টা করেন, তাহলে এর মধ্যেই বের করতে পারবেন সেই সময়। এ জন্য পরিবারের সবাইকে নিয়ে আগে থেকে সময় ব্যবস্থাপনা করতে হবে। আধুনিক ব্যস্ত জীবনের সঙ্গে বিষয়টি খুব গুরুত্বপূর্ণ। তাই চাই কিছু পরিকল্পনা ও কৌশল।

কিছু পরামর্শ
১. সংসারের কেনাকাটা, বাজার করা এক দিনে করে ফেলুন। যদি কোনো নির্দিষ্ট দোকান থাকে, তাহলে আরও ভালো। ঝামেলা আরেকটু কমবে। শুককর্মজীবী নারীকে যদি জিজ্ঞেস করা হয়, অবসরে কী করেন? বেশির ভাগই উত্তরে বলেন, অবসরই তো পাই না। কম কাজ থাকে নাকি! স্বামী-সন্তানকে ঠিকমতো সময় দিতে পারি না।

তবে আপনি যদি একটু চেষ্টা করেন, তাহলে এর মধ্যেই বের করতে পারবেন সেই সময়। এ জন্য পরিবারের সবাইকে নিয়ে আগে থেকে সময় ব্যবস্থাপনা করতে হবে। আধুনিক ব্যস্ত জীবনের সঙ্গে বিষয়টি খুব গুরুত্বপূর্ণ। তাই চাই কিছু পরিকল্পনা ও কৌশল।

কিছু পরামর্শ
১. সংসারের কেনাকাটা, বাজার করা এক দিনে করে ফেলুন। যদি কোনো নির্দিষ্ট দোকান থাকে, তাহলে আরও ভালো। ঝামেলা আরেকটু কমবে। শুকনা বাজার, মানে নিত্যদিনের সদাই বাসার কাছের কোনো দোকান থেকে করতে পারেন।

২. নির্দিষ্ট দরজির দোকান থাকলেও আরেকটু সময় বাঁচবে। পোশাকের মাপ ফোনে বলে দিলেও পোশাক বানিয়ে ফেলতে পারবেন পরিচিত দরজি।

৩. পরদিন অফিসে কী পরবেন, নিজে ও পরিবারের অন্যান্য সদস্য কী টিফিন নেবেন, সেটা আগের রাতেই গুছিয়ে রাখতে পারেন। সকালে তাড়াহুড়ো করতে হবে না।

৪. প্রতি বেলার খাবারের পদও আগেই তৈরি করে রাখতে পারেন। এক বেলা অন্তত সবাই মিলে খাওয়া উচিত। তখন সবার কথা শুনে নিতে পারেন। কারও কোনো দায়িত্ব আছে কি না, সেটাও বলে দিতে পারেন।

৫. কর্মজীবী নারীদের সন্তানকে ছোট থেকেই একটু একটু করে স্বাবলম্বী করতে হবে। শুধু কাজের দোহাই না দিয়ে সন্তানের সঙ্গেও পর্যাপ্ত সময় কাটাতে হবে।

৬. বাসায় কিছু ইলেকট্রনিকস যন্ত্রপাতি থাকলে সময় বাঁচবে। টোস্টার, ব্লেন্ডার, মিক্সচার, ওভেন ও ফ্রিজ আপনার সময় বাঁচিয়ে স্বস্তি দেবে।

৭. কাউকে দাওয়াত করতে চাইলে ছুটির দিনে আগে থেকে সব গুছিয়ে রাখুন। যাতে কারও ওপর কোনো চাপ না পড়ে।

৮. কোনো কিছুতেই চাপ নেবেন না। তাহলে যতটুকু কাজ করার ইচ্ছা ছিল, ততটুকু করতে পারবেন।

সূত্র: ফ্যামিলি ম্যাগাজিননা বাজার, মানে নিত্যদিনের সদাই বাসার কাছের কোনো দোকান থেকে করতে পারেন।

২. নির্দিষ্ট দরজির দোকান থাকলেও আরেকটু সময় বাঁচবে। পোশাকের মাপ ফোনে বলে দিলেও পোশাক বানিয়ে ফেলতে পারবেন পরিচিত দরজি।

৩. পরদিন অফিসে কী পরবেন, নিজে ও পরিবারের অন্যান্য সদস্য কী টিফিন নেবেন, সেটা আগের রাতেই গুছিয়ে রাখতে পারেন। সকালে তাড়াহুড়ো করতে হবে না।

৪. প্রতি বেলার খাবারের পদও আগেই তৈরি করে রাখতে পারেন। এক বেলা অন্তত সবাই মিলে খাওয়া উচিত। তখন সবার কথা শুনে নিতে পারেন। কারও কোনো দায়িত্ব আছে কি না, সেটাও বলে দিতে পারেন।

৫. কর্মজীবী নারীদের সন্তানকে ছোট থেকেই একটু একটু করে স্বাবলম্বী করতে হবে। শুধু কাজের দোহাই না দিয়ে সন্তানের সঙ্গেও পর্যাপ্ত সময় কাটাতে হবে।

৬. বাসায় কিছু ইলেকট্রনিকস যন্ত্রপাতি থাকলে সময় বাঁচবে। টোস্টার, ব্লেন্ডার, মিক্সচার, ওভেন ও ফ্রিজ আপনার সময় বাঁচিয়ে স্বস্তি দেবে।

৭. কাউকে দাওয়াত করতে চাইলে ছুটির দিনে আগে থেকে সব গুছিয়ে রাখুন। যাতে কারও ওপর কোনো চাপ না পড়ে।

৮. কোনো কিছুতেই চাপ নেবেন না। তাহলে যতটুকু কাজ করার ইচ্ছা ছিল, ততটুকু করতে পারবেন।

সূত্র: প্রথম আলো, ফ্যামিলি ম্যাগাজিন

273 Views

One Comment;

*

*

Top