Lionel Messi – লিওনেল মেসি আর্জেন্টিনীয় পেশাদার ফুটবলার যিনি লা লিগা ক্লাব বার্সেলোনা এবং আর্জেন্টিনা জাতীয় দলের

 

অনেক ধারাভাষ্যকার, কোচ এবং খেলোয়াড়তাকে বর্তমান সময়ের সেরা এবং সর্বকালেরঅন্যতম সেরা ফুটবলার হিসেবে দাবী করেথাকেন।বার্সেলোনার সাবেক কোচ পেপগার্দিওলা কাতালুনিয়া রেডিওকে দেওয়া একসাক্ষাতকারে বলেন আমি তার মস্তিষ্কে ঢুকেদেখতে চাই সে আর্জেন্টিনা ও বার্সেলোনারহয়ে এত চআপ কি ভাবে সামলায়।

মেসি ফুটবলের ইতিহাসে প্রথম এবং একমাত্রখেলোয়াড় যিনি টানা পাচটি ফিফা / বালোঁদ’অর পুরস্কার জিতেছেন। এছাড়া প্রথমখেলোয়াড় হিসেবে তিনি তিনটি ইউরোপীয়ানগোল্ডেন শু পুরস্কারও জিতেছেন। বার্সেলোনারহয়ে মেসি আটটি লা লিগা, তিনটি কোপা দেলরে, পাঁচটি স্পেনীয় সুপার কোপা, চারটি উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লীগ, দুইটি উয়েফা সুপারকাপ এবং দুইটি ফিফা ক্লাব বিশ্বকাপ শিরোপাজিতেছেন।

মেসি প্রথম এবং একমাত্র খেলোয়াড় হিসেবেটানা চারটি চ্যাম্পিয়নস লীগে সর্বোচ্চ গোলপ্রদান করেছেন এবং প্রতিযোগিতায় তারসর্বোচ্চ হ্যাট্রিকেরও রেকর্ড রয়েছে (৪টি)।২০১২ খ্রিস্টাব্দের মার্চে চ্যাম্পিয়নস লীগেবেয়ার লেভারকুজেনের বিপক্ষে খেলায় পাঁচগোল করে মেসি ইতিহাস গড়েন। এছাড়া তিনিচ্যাম্পিয়নস লীগের এক মৌসুমে হোসেআলতাফিনির করা ১৪ গোলের রেকর্ডও স্পর্শকরেন। ২০১১–১২ মৌসুমে সব ধরণেরপ্রতিযোগিতায় ৯৬টি গোল করার মাধ্যমেইউরোপীয় ফুটবলে এক মৌসুমে সর্বোচ্চ গোলকরার রেকর্ড গড়েন মেসি।টানা ৮ মৌসুমে ৪০এর অধিক গোল করা একমাত্র ফুটবলার মেসিঐ একই মৌসুমে, লা লিগায় ৫০ গোল করারমাধ্যমে লা লিগার এক মৌসুমে সর্বোচ্চগোলের রেকর্ডও গড়েন তিনি। মেসি ফুটবলইতিহাসের প্রথম খেলোয়াড় যিনি একইমৌসুমে ছয়টি আলাদা অফিসিয়ালপ্রতিযোগিতায় গোল এবং গোলে সহায়তাউভয়ই করেছেন। ২০১৩ খ্রিস্টাব্দের ১৬ফেব্রুয়ারি মেসি বার্সেলোনার হয়ে তার৩০০তম গোল করেন। ২০১৩ খ্রিস্টাব্দের ৩০মার্চ মেসি লা লিগায় টানা ১৯টি খেলায় গোলকরার কৃতিত্ব অর্জন করেন। এর মধ্য দিয়েইতিহাসের প্রথম খেলোয়াড় হিসেবে লীগেরসব কয়টি দলের বিপক্ষে টানা গোল করাররেকর্ড গড়েন তিনি। অবশ্য তিনি টানা ২১টিখেলায় গোল করেছিলেন। আতলেতিকোমাদ্রিদের বিপক্ষে খেলায় হ্যামস্ট্রিং ইনজুরির (hamstring injury – উরূর মাংসপেশীর টান) কারণে মাঠ ছাড়লে তার এই গোলরথ থামে।২০১৪ খ্রিস্টাব্দের ২৩ মার্চ তারিখে রিয়ালমাদ্রিদের বিপক্ষে হ্যাট্রিক করার মাধ্যমে এলক্লাসিকোর ইতিহাসে সর্বোচ্চ গোল এবংহ্যাট্রিক করার রেকর্ড গড়েন মেসি। এরপরনভেম্বরে, সেভিয়ার বিপক্ষে হ্যাট্ট্রিক করারমাধ্যমে ২৫৩ গোল নিয়ে তিনি লা লিগারসর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতার গৌরব অর্জনকরেন। একই মাসে, চ্যাম্পিয়নস লীগে নিজের৭৪তম গোল করার মাধ্যমে তিনি এইপ্রতিযোগিতারও সর্বকালের সর্বোচ্চগোলদাতার গৌরব অর্জন করেন।

মেসি আর্জেন্টিনাকে ২০০৫ ফিফা অনূর্ধ্ব ২০বিশ্বকাপ জয়ে সাহায্য করেন। প্রতিযোগিতায়তিনি সর্বোচ্চ ছয়টি গোল করেন এবং সেরাখেলোয়াড় নির্বাচিত হন। ২০০৬ খ্রিস্টাব্দেআর্জেন্টিনার সর্বকনিষ্ঠ খেলোয়াড় হিসেবেতিনি বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ করেন। ২০০৭খ্রিস্টাব্দে কোপা আমেরিকায় আর্জেন্টিনারানার-আপ হয় এবং তিনি প্রতিযোগিতারকনিষ্ঠ সেরা খেলোয়াড় নির্বাচিত হন। ২০০৮খ্রিস্টাব্দে বেইজিং অলিম্পিকে আর্জেন্টিনাঅলিম্পিক ফুটবল দলের হয়ে মেসি স্বর্ণপদকজিতে নেন। এটিই ছিল তাঁর প্রথমআন্তর্জাতিক সম্মাননা। ২০১৪ বিশ্বকাপে তিনিআর্জেন্টিনাকে নেতৃত্ব দেন। তিনি টানা চারখেলায় সেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কার অর্জনকরেন এবং দলকে ফাইনালে নিয়ে যান।প্রতিযোগিতার সেরা খেলোয়াড় হিসাবে তিনিগোল্ডেন বলের পুরস্কারও জিতেন। খেলারধরন এবং দৈহিক গঠনের কারণে তাকে তারইস্বদেশী দিয়েগো মারাদোনার সাথে তুলনা করাহয় যিনি নিজেই মেসিকে স্বীয় ‘‘উত্তরসূরি’’ হিসেবে ঘোষণা করেছেন।

রেকর্ডসমূহ

২ সেপ্টেম্বর ২০১৩ অনুসারে।

বিশ্ব

  • সবোচ্চ ফিফা বালোঁ দ’অরপুরস্কার: ৪
  • এক বছরে সর্বোচ্চ গোলের জন্যগিনেস বিশ্ব রেকর্ড পুরস্কার: ৯১গোল
  • এক বছরে সর্বোচ্চ আন্তর্জাতিকগোল (ক্লাব ও জাতীয় দলের হয়ে):২৫ গোল (ভিভিয়ান উডওয়ার্ডেরসাথে যৌথভাবে)
  • টানা সর্বোচ্চ খেলায় গোল: ২১খেলায় (৩৩ গোল)
  • প্রথম খেলোয়াড় হিসেবে একটিপেশাদার লীগের
670 Views

Related posts

*

*

Top